প্রাণায়ামা ব্যায়াম করার কিছু টিপস - whatsappstatus99

LATEST

Friday, August 16, 2019

প্রাণায়ামা ব্যায়াম করার কিছু টিপস

প্রাণায়াম অভ্যাসকালীন মধ্যবতী - ব্যায়াম 

প্রথম প্রথম যারা প্রাণায়াম অভ্যাস করছেন তাদের পক্ষে একাসনে বসে টানা সাতটি এ প্রাণায়াম শেষ করতে একটু কষ্টই হবে । তারা প্রতিটি আসনের ফাঁকে ফাঁকে এই সুন্ন ব্যায়াম করে নিতে পারেন । এর ফলে তিনি খানিকক্ষণ বিশ্রাম পাবেন এবং শারীরিক কিছু সমস্যাও দূর হয়ে যাবে । মনে শান্তি ফিরে আসবে ।

সুক্ষ্ম প্রাণায়ামা ব্যায়াম বা আরামদায়ক মধ্যবর্তী ব্যায়াম - ১ 


মাটিতে চাদর বা কিছু পেতে তার ওপর বসুন এবং দুটো সামনের দিকে ছড়িয়ে দিন । তঁটুর নীচের অংশ ও গোড়ালি মাটির সঙ্গে লেগে থাকবে । দুই পায়ের দুটি বড়ো আঙ্গুল পরস্পর পরস্পরকে স্পর্শ করবে । এরপর দুটো হাতকে পিছনে রেখে তার ওপর শরীরের ভর দিয়ে দুটি পাকে পাশাপাশি দোলাতে শুর করুন । কিন্তু শরীবের উপদংশ এই সময় স্থির থাকবে । 
দশবার এইভাবে পা দুলিয়ে আবার ফিরে আসুন । পূয়াজপাস ছাড়তে ছাড়তে পা দুটিকে দুপাশে মাটির দিকে যতটা পারেন নামাবার চেষ্টান  টু মাটিতে লেগে থাকলে এবং ভাঙবে না । 
এরপর স্বাভাবিক শ্বাস নিতে নিতে এক পা নিচে মাটির দিকে ও অন্য পা পিছন দিকে সুন । কপর্যায়ে দুটি পায়ের পাতাকে ক্লকওয়াইজও অ্যান্টিওয়াইজ মােরন । এরপর পুঞ্জের দুটিকে দেড়ফুট দুরে রাখুন এবং হাঁটু না ভেঙে দুটি পায়ের পাতাকে ভিতরে মানিকেননার চেষ্টা করুন । স্বাভাবিক শ্বাস নিতে নিতে এটি করবেন । এবার পায়ের তদুটিকে দুপাশে মাটিতে ফেলে দিন ।
এই সুক্ষ্ম ব্যায়াম নিয়মিত অভ্যাস করলে গােড়ালি , হাঁটু , উবু ও আঙুলের ব্যথা কমবে সনে কোনও বাধা থাকলে সেই সমস্যাও দূর হবে ।

সুক্ষ্ম প্রাণায়ামা ব্যায়াম বা আরামদায়ক মধ্যবর্তী ব্যায়াম - ২

ডান পাকে বা উরুর ওপর তুলে দিয়ে বাঁ হাত দিয়ে । সনপুরেআল চেপে ধরুন । এরপর ডান টুকে ডান হাত দিয়ে ধরে স্বাভাবিক শ্বাস নিতে নিতে বুকের গছে স্কুলে এনেকুকেশন এবং কিছুক্ষণ এইভাবেথেকে সন্ধড়তেঘড়তে হতসরিয়ে নিয়ে হাঁটুমাটিতে ঠেকিযে নিন । এবার একই প্রক্রিয়া অন্য পায়ে করুন। এর ফলে টর ব্যথা কমবে , সবল হবে হৃদযন্ত্র।

সুক্ষ্ম প্রাণায়ামা ব্যায়াম বা আরামদায়ক মধ্যবর্তী ব্যায়াম - ৩


একে বলা হয় বাটারফ্লাই  পদতল দুটিকে জোড়া করুন  দুই হাতের আঙুলে আঙুল জড়িয়ে পায়ের আঙুলের তলায় । ঢুকিয়ে পা - কে স্বাধিষ্ঠানের দিকে টেনে আনুন তবে কখনই জোর করে নয় , ধীরে ধীরে টেনে আনার চেষ্টা করবেন । এবার স্বাভাবিক শ্বাস নিতে নিতে হাঁটু দুটিকে আস্তে আস্তে ওপরে ওঠান ও নিচে নামান । এই ব্যায়ামটি দশ থেকে ত্রিশবার পর্যন্ত । করতে পারেন । এর ফলে যে কোনও আসনে আপনি খুব সহজেই বসতে পারবেন , নিম্নাঙ্গের সন্ধিস্থল শক্তিশালী হবে।

সুক্ষ্ম প্রাণায়ামা ব্যায়াম বা আরামদায়ক মধ্যবর্তী ব্যায়াম - ৪

যে কােনও আসনে বসে ডান হাতকে শ৷ হাত এবং পা । হতকে ডান হাত দিয়ে ধলে হাতটিকে মাথার ওপর তুলুন । এরপর স্থান নিতে নিতে ডান হাতকে বা হাত দিয়ে টেনে মাথার ওপর থেকে পিছনে বা পাড়ের দিকে নামান । এবং শাস ছাড়তে ছাড়তে বাম হাতকে মাথার ওপর সিধে করে দিন এইভাবে অন্য হাতে একই ব্যাপার করুন। প্রথম প্রথম দশ বার করলেও সময় বাড়াতে হবে 
এর ফলে হাতের জয়েন্ট , আল শক্তিশালী হবে  যার অফিসে দীর্ঘক্ষণ বসে কাজ করেন বা গাড়ি চালান তাদের নিয়মিত এটি করা উচিত।

সুক্ষ্ম প্রাণায়ামা ব্যায়াম বা আরামদায়ক মধ্যবর্তী ব্যায়াম - ৫

হাতদুটিকেসামনের দিকে প্রসারিত করুন  এরপর স্বাভাবিক শাস নিতে নিতে দ্রুত আল মুঠো করুন এবং পূর্বস্থায় ফিরে যান । এরপর বুড়ো আঙুলকে অন্য আঙুলের মধ্যে ঢুকিয়ে দিন । হাত সামনে প্রসারিত অবস্থায় থাকবে । তারপর হাতের মুঠো দুটিকে এক জায়গায় রেখে কওয়াইজ ও অ্যান্টিকওয়াইজ ঘােরাতে থাকুন । 
এর ফলে রক্ত সঞ্চালন ভালাে হবে । কমে যাবে আঙুল ও কজির ব্যথা।

সুক্ষ্ম প্রাণায়ামা ব্যায়াম বা আরামদায়ক মধ্যবর্তী ব্যায়াম - ৬

দুই হাতের সমস্ত আঙ্গুল দিয়ে সামনের দিক থেকে দুইবাধ স্পর্শ করুন । এরপর হাতদুটিকে সামনে কুলিয়ে দিন । কনুই দুটি একসঙ্গে ঠেকে থাকবে । এবার প্রথমে ক্লকওয়াইজ ও পরে অ্যান্টিব্লকওয়াইজ ঘােরন । স্পন্ডিলাইটিসের রুগিদের এটি অবশ্যই করা উচিত এর ফলে কাধের জয়েন্ট ওকনুইয়ের ব্যথা কমবে।

সুক্ষ্ম প্রাণায়ামা ব্যায়াম বা আরামদায়ক মধ্যবর্তী ব্যায়াম - ৭

যে কোনও আসনে বসুন । হাত থাকবে জ্ঞান মুদ্রায়। কোমর , মেরুদণ্ড , ঘাড় ও মাথা এক সরলরেখায় এনে স্বাভাবিক শ্বাস নিতে নিতে ঘাড়কে যতটা পারেন বাঁ দিকে ঘােরাবার চেষ্টা । করুন । তবে কখনই জোরে নয় , ধীরে ধীরে করুন । এরপর ঘাড়কে পূর্বাবস্থায় এনে ওই । একইভাবে ডান পাশে নিয়ে যান । এইভাবে দশবার করুন । এরপর মাথা নিচের দিকে এনে থুতনিকেকণ্ঠকূপে ঠেকান । তারপর আবার সিধে করুন এবং মাথাকে ধীরে ধীরে পিছন দিকে নিয়ে যান । কিছুক্ষণ ওইভাবে থেকে ফিরে আসুন পূর্বাবস্থায় ।এবার মাথাকে ধীরেধীরে ক্লকওয়াইজ ও অ্যান্টিক্লকওয়াইজ ঘােরান । এটিও ১০ বার  করুন। 

No comments:

Post a Comment