Surja nomoskar | সূর্য প্রণাম কয় প্রকার ও কি কি? - whatsappstatus99

LATEST

Tuesday, August 13, 2019

Surja nomoskar | সূর্য প্রণাম কয় প্রকার ও কি কি?

১. নমস্কারাসন 

নমস্কারাসন | কিভাবে করবেন

প্রথমে ভঙ্গিতে সােজা হয়ে দাঁড়ান । এবার দুটি হাতের বুড়াে আঙুল বুকের সঙ্গে ঠেকিয়ে রেখে শ্বাস টেনে পেটকে যতটা সম্ভব হয় সকুচিত করে বুক নামিয়ে আস্তে আস্তে শ্বাস ছাড়ুন । এবার দেহটিকে সােজা রেখে শ্বাস ত্যাগ করতে করতে প্রণাম সুন । 
উপকারীতা — এই আসনে গলার ব্যথা সারে । স্বরের বিকৃতি হলে তা দূর হয় ।

২. পর্বতকারাসন

পর্বতকারাসন | কিভাবে করবেন

দুটি হাত ওপরের দিকে তুলে দেহটিকে পেছনের দিকে বাঁকাবেন । যতটা সম্ভব ততটা বকবেন  বুকটা সামনের দিকে যতটা সম্ভব ফুলিয়ে রাখবেন । তারপর দেহটিকে  ঠিক রেখে আস্তে শ্বাস নিন ও ছাড়ুন । আর চোখের দৃষ্টি উপরে রাখবেন ।  
উপকারীতা — এই আসনে পেটের অন্ননালীর নানারূপ রােগ সারে । চোখের দৃষ্টি প্রখর । হয় । কাধের শক্তি বাড়ে ।

৩. হস্তপাদুকাসন 

হস্তপাদুকাসন | কিভাবে করবেন

পা দুটিকে সােজা রেখে হাঁটু দুটি একত্র করুন । এবার কোমর থেকে মাথা পর্যন্ত দেহটিকে সামনের দিকে ঝুঁকিয়ে দিন । তারপর দুটি হাত দিয়ে দুটি পাকে চেপে ধরুন । হাত দুটি পায়ের পাতার পাশে মাটিতে রাখুন । এবার কুঁকে পড়ে নিঃশ্বাস টেনে নিন । আল বন্ধ রেখে আসন করুন । এবার শরীরটা তুলে আস্তে আস্তে শ্বাস ত্যাগ করতে কুন । আর মনে রাখবেন ঐ সময় কপাল এবং নাক যেন মাটি স্পর্শ করে থাকে । 
উপকারীতা – এতে দেহ সুস্থ ও সবল হয় , হাত ও পায়ের আঙুল শক্ত হয় এবং পেটের রােগ সারে।

৪. এক পদাসন

এক পদাসন | কিভাবে করবেন

একটি পাকে সামনে হাঁটু মুড়ে এমনভাবে রাখুন এবং আর একটি পা ছনে সােজকত্রে এমনভাবে রাখুন যাতে পায়ের উল্টোদিকের আঙ্গুল মাটি স্পর্শ করে । এবার বাঁ বগলের সামনে বা হাঁটুকে রেখে নিঃশ্বাস টেনে পেটকে যতদূর সম্ভব সচিত তারপর মেমর থেকে দেহে উপরের দিকটা সামান্য বাঁকান । এবার মুখ উপক তুলে ধরে দৃষ্টি সেদিকে নিবন্ধ প্রন । এই সময় শ্বাস প্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করবেন ।  
উপকারীতা – গলার রােগ নিরাময় হয় এবং ধাতুদুর্বলতা হ্রাস পায় । 

৫.  ভুতলাসন

ভুতলাসন | কিভাবে করবেন


 দুটি হাঁটু মুড়ে পায়ের গােড়ালিতে নিতম্ব রাখুন । এবার বসে দুটি পাকে । পেছনের দিকে নিয়ে যান । এবার শ্বাস বন্ধ করে পায়ের হাঁটু দুটি এককরে কোমর থেকে মাথা ও হতকে বাান । এবার হাতের উপর দেহের ভার রেখে কোমরকে উপরে তুলুন । এবার দুটি বার মধ্যে মাথা রেখে দৃষ্টিকে হাঁটুর দিকে নিবন্ধ করুন । তারপর আস্তে আস্তে স্বাস ত্যাগতে থাকুন । 
উপকারীতা - এই আসনে হাত - পা ও হাঁটুর ব্যথা সারে , পেটের ব্যথা সারে , মেয়ে । চর্বি হ্রাস পায় ।

৬. সাষ্টঙ্গাসন 

সাষ্টঙ্গাসন | কিভাবে করবেন


প্রথমে দুটি হাঁটু মুড়ে বসুন । এবার মাটিতে বুক স্পর্শ করুন । এবার গলার । এ নীচ চিকুক রেখে লম্বা হয়ে শুয়ে পড়ুন । এবার শ্বাস টেনে পেটটি সকুচিত করুন । দেখবেন ? ঐ সময় পেট যেন মাটি স্পর্শ না করে । এবার কতল দুটিকে বুকের দুপাশে রেখে , করতল উ থেকে হাতের কনুই পর্যন্ত মাটিতে স্পর্শ করান । এই সময়টা শ্বাস বন্ধ রাখবেন আর খান । ত্যাগ করে আসন থেকে উঠে পড়বেন । 
উপকারীতা – এতে শিশুর ওজন ও শক্তি বাড়ে তাই মায়েদের এই আসন করা বাঞ্ছনীয় । বাহুও এতে সবল হয় । 
৭. ভুজঙ্গাসন  

ভুজঙ্গাসন | কিভাবে করবেন

প্রথমে উপডু হয়ে মাটিতে শুয়ে পড়ুন । এবার সষ্টান্স প্রণামের মত । হাতল ও দুটি পা সােজা রেখে শ্বাস গ্রহণ করুন । বুক ফুলিয়ে ঐ শ্বাসরুদ্ধ হন । এ কোমর থেকে মাথা পর্যন্ত বাঁকিয়ে দৃষ্টি ওপরের দিকে রাখুন । তারপর কনুইদটি মাটি খে । উপরে তুলেকতল দুটি মাটিতে রেখে একটু বেকে বসে থাকুন । 
উপকারীতা - চোখের জ্যোতি বাড়ে মেয়েদের অনিয়মিত ঋতু নিয়মিত হয় , বীর্য শুদ্ধ হয়।

৮. ভূধরাসন 

ভূধরাসন | কিভাবে করবেন

প্রথমে হাঁটু সােজা রেখে কোমর থেকে দেহকে বাঁকিয়ে শ্বাস বন্ধ । এবার পায়ের আঙুল সােজা রেখে ফুকে চিবুক দিয়ে কুস্পৰ্শন । এর নিতম্বকে পাবেনউপরেন । তারপর পায়ের তলদেশ মাটিতে রেখে নিলােস টেনে পেটকেস । 
উপকারীতা -  গেঁটে বাত , পক্ষাঘাত ভালাে হবে । পায়ের শক্তি বাড়বে , মাথার চুলের গােড়া শক্ত হবে । বায়ুবিকার রােধ হবে ।

৯. এক পদাসন

এক পদাসন | কিভাবে করবেন


একটি পাকে সামনে হাঁটু মুড়ে এমনভাবে রাখুন এবং আর একটি পা ছনে সােজকত্রে এমনভাবে রাখুন যাতে পায়ের উল্টোদিকের আঙ্গুল মাটি স্পর্শ করে । এবার বাঁ  বগলের সামনে বা হাঁটুকে রেখে নিঃশ্বাস টেনে পেটকে যতদূর সম্ভব সচিত তারপর মেমর থেকে দেহে উপরের দিকটা সামান্য বাঁকান । এবার মুখ উপক তুলে ধরে দৃষ্টি সেদিকে নিবন্ধ প্রন । এই সময় শ্বাস প্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করবেন ।  
উপকারীতা – গলার রােগ নিরাময় হয় এবং ধাতুদুর্বলতা হ্রাস পায় ।

১০. হস্তপাদুকাসন

হস্তপাদুকাসন | কিভাবে করবেন


পা দুটিকে সােজা রেখে হাঁটু দুটি একত্র করুন । এবার কোমর থেকে মাথা পর্যন্ত দেহটিকে সামনের দিকে ঝুঁকিয়ে দিন । তারপর দুটি হাত দিয়ে দুটি পাকে চেপে ধরুন । হাত দুটি পায়ের পাতার পাশে মাটিতে রাখুন । এবার কুঁকে পড়ে নিঃশ্বাস টেনে নিন । আল বন্ধ রেখে আসন করুন । এবার শরীরটা তুলে আস্তে আস্তে শ্বাস ত্যাগ করতে কুন । আর মনে রাখবেন ঐ সময় কপাল এবং নাক যেন মাটি স্পর্শ করে থাকে । 
উপকারীতা – এতে দেহ সুস্থ ও সবল হয় , হাত ও পায়ের আঙুল শক্ত হয় এবং পেটের রােগ সারে।

১১. পর্বতকারাসন

পর্বতকারাসন | কিভাবে করবেন

দুটি হাত ওপরের দিকে তুলে দেহটিকে পেছনের দিকে বাঁকাবেন । যতটা সম্ভব ততটা বকবেন  বুকটা সামনের দিকে যতটা সম্ভব ফুলিয়ে রাখবেন । তারপর দেহটিকে  ঠিক রেখে আস্তে শ্বাস নিন ও ছাড়ুন । আর চোখের দৃষ্টি উপরে রাখবেন ।  
উপকারীতা — এই আসনে পেটের অন্ননালীর নানারূপ রােগ সারে । চোখের দৃষ্টি প্রখর । হয় । কাধের শক্তি বাড়ে ।

১২. দক্ষাসন 

দক্ষাসন | কিভাবে করবেন

প্রথমে পা থেকে মাথা পর্যন্ত সম্পূর্ণ দেহটিকে সােজা রাখুন । এবার দুটি হাটুকে জোড়া করুন এবং কাধটি সােজা রাখুন । তারপর হাত দুটি দেহ স্পর্শ করে নীচে কুলিয়ে দিয়ে সােজা হয়ে দাঁড়ান । দৃষ্টি নাকের ডগায় নিবন্ধ রাখুন । পায়ের গােড়ালি দুটি । । জোড়া করুন । পায়ের ডগা কিছুটা দূরে রাখুন । শরীরটা স্থির রাখুন ।

উপকারীতা — এই আসনে শরীর সুস্থ ও সবল থাকে । চিত্ত চাঞ্চল্য দুর হয় , পায়ের  শক্তি বাড়ায় , চর্মরােগ নিরাময় হয় , পিঠ ও কোমরের বেদনা দূর হয় ।



No comments:

Post a Comment