আয়ুর্বেদ - whatsappstatus99

LATEST

Thursday, September 5, 2019

আয়ুর্বেদ

আয়ুর্বেদ । প্রাণায়াম ও খাদ্য - অভ্যাস
আয়ুর্বেদ

১। স্বপ্নদোষ বা সুপ্তিস্বলন – মাসে দু - একবার স্বপ্ন দেখে বীর্য ক্ষয় বা স্বাভাবিকভাবেই ঘুমের মধ্যে সুপ্তিস্থলন ঘটে থাকে এর মধ্যে অস্বাভাবিক কিছু নেই । কিন্তু এই ব্যাপারটি নিয়মিত হলে একটু চিন্তার ব্যাপার থেকেই যায়। এই রােগে ধ্যান, প্রাণায়াম‌ খুবই জরুরী।
সকালে নিয়মকর সম্পন্ন করে আসন যথাক্রমে - গােমুখাসন , মাম , ক্রমে । মূলবধ , মহবধ , কপালভাতি এর অভ্যাসে স্নায়ুগুলিকে সবল করে । গভীর রাত অবধি যৌনায়ক ছবি দেখা বন্ধ করতে হবে । মাংস ও ডিম না খেলেই ভালাে তার পরিবর্তে কুমরাে , মােচা , মুগডাল , গাজর , বাদাম , বিভিন্ন হল সহজ পাচ্য । মশলাবিহীন খাদ্য । ভাত ও রুটি যেটাই খাবেন পেট খালি করে খাবেন ।
২। হাঁপানি ঈষৎ উষ্ণ গরম জল খেয়ে প্রাতঃকৃত সম্পন্ন করে । বমন বা বরিসার । যেীতি অভ্যাস করতে হবে । তারপর , যােগাসন বা প্রাণায়াম হিসাবে সর্বাশন নংসান , উষ্ট্রাসন , ও কপালভাতি সালে বিকালে দুবেলা ক্রিয়াগুলিতে হবে । প্রথমদিকে অবশ্য কপালভাতিতে অসুবিধা হবে । হাঁপানির ট্যানের সময় ( ততর হলে ) লেৱ ৱন ও ঈং গরম জলে পানতে হবে । ওপাস থামলনীয় । খায় সব সময় খালি পেট অবস্থায় খেতে হবে । দুধ কম খালেন বা খাবেন না যদি খানও তবে শুকনাে আদা গুড়ােকরে মিশিয়ে অল্প খাবেন । গরম কফি মায়ে । মাঝে খাবেন তবে নিয়মিত নয় । ফল ও সঞ্জী - মিষ্টি কমলালেবু , আপেল , পিয়াজ , রসুন , আদা , পাতিলেবু , লবঙ্গ , কডলিভার মাছের তেল , বঁধাকপি , গাই পাটমেটো আর গানে । হাইব্রিড টমেটো খানে না কারণ ই নামক বিষ দিয়ে টমেটো পাকানাে হয় । সূর্যের আলাে গায়ে লাগলে খুবই উপকার হয় । অত্যধিক যৌন সঙ্গম এই রােগ বৃদ্ধির কারণ অতএব হাঁপানীর সময় নারী পুরুষ উভয়েই সংযত থাকবেন । পেট ভরে খাবেন না সবসময় পেট খালি রেখে খাবেন । রাতের খাবার ৮টার মধ্যে খেয়ে দশটার মধ্যেই শুয়ে পড়লে খুবই ভালাে হয় । গভীর রাত জেগে টিভি না দেখাই ভাল এতে এই রোগে স্ৰত লােগা সব ।
৩। ডায়াবেটিসবামমেহ অতিরিক্ত ভােগ ও দুশ্চিন্তার সঙ্গে এই লেগের উৎপত্তি । । সালে ঘুম থেকে উঠে প্রাতঃকৃত সম্পন্ন করে যােগাসন যথা জানুশিরাসন , পশ্বিমােজসন অগ্নিসার এবং প্রাণায়াম এ মূলবধ ও মহাব , কপালভাতি সশৈ সশে দৈনিক ভােরে । দীর্ঘপথ ইটা ও খালি হাতে ব্যায়াম এই রােগ আরােগ্যের মূলমন্ত্র যেহেতু এই রােগ অতিরিক্ত ভােগ ও দুশ্চিন্তার রােগ অতএব প্রথমে অতিরিক্ত আর ও যৌন সম্ভোগ দীর্ঘদিনের জন্য বিরতি দিতে হবে । ( খান্য খাবার ) — চালিতে পেষাই ছোলা ও গম মেশানাে আটা বা সয়াবিন ও গম মেশানাে আটার রুটি , বাড়িতে পাতা টক দই , টক জাতীয় মল , প্রচুর শাকসজী , নাড়কেল , বেগুন , তেলাকুচা , উচ্ছে , লাউ , পটল , শ্য , গাছ পল্পি টমেটো , কালজাম , মোচা থাের ভাত খাবেন । ভাত অবশ্যই পরিমাণ মত ( শুধুমাত্র উক্ত রােগে বিবেচনা করে না স্বাভাবিক ভাত খাওয়া । সবার পক্ষেই প্রয়ােজন অর্থাৎ খাওয়ার পর পেট খালি থাকবে , লেটুস , থানকুনি , বেতে । । ধনেপাতা , মেথিশক , মেথিগুরাে , আলা এই রােগে একমাত্র পথ্য । মেথি রােদে শুকিয়ে গুঁড়ো ও করে মাঝে মাঝে খাবেন । কাজুবাদাম ও অন্ন চিনেবম বিশেষ উপকারী ছােট মাছ ( অবশ সৎ টাটকা ) মৌরলা , পুঁটি , ইত্যাদি আমিষীরা খাবেন ।
৪। মোটাপন র অযথা শরীরে মেদ বৃদ্ধি = যদি সারাদিন ফলের রস খেয়ে কাটি কে দেওয়া যায় তাহলে এর থেকে ভাল দাওয়াহ ( মেলড়তে ) আর কিছুই নেই । খুব ভােৱে উঠে প্রাতঃসম্পন্ন করে প্রাণায়াম যথা , কপালভাতি , জনম্বর বণ , স যােগাসনে বিপরীতক্ষীমুত্র জুম্মাসন , কুলসন , পবনমুক্তাসন এবং খালি হাতের
অভ্যাস একান্ত প্রয়ােজন । শারীরিক পরিশ্রম যে কোন উপায়ে খুবই প্রয়োজন সঙ্গে সশে খাদ্য খাবার বিশেষ করে ঘরে ও বাইরে বিভিন্ন ভাজাভুজিওতথাকথিত গস্ট ফুড খাবার বিষবৎ একান্তভাবেত্যজ্য । সালে অংকুরিত ছােলা , ফলের রস , আপেল , আনারস , আটার রুটি ( ভুসিদ্ধ অর্থাৎ ন না চালা ) পাতিলেবু , কমলালে , বেল , ডালিয়া , প্রচুর শ্যা , পালং শাক , বাঁধাকপি , ডাল । ১ । সপ্তাহে তিনদিনের বেশী মাহ নয় তবে প্রতিবারই ১০০ গ্রাম ওজন না ছড়ায় । দিনে একবার ভাত ও একবারই রুটি অবশ্য পেট খালি করে পরিমান মত ( কঠোর ভাবে ) খেতে হবে ।
৫। অ - সকালে গ্রাস থেকে চার গ্লাস জল ( ঠাভাব ঈষৎ উষ্ণ গম ) অর্থাৎ ৫০০ ' থেকে ১০০ গ্রামের মধ্যে একটি পাতিলেবু সহযােগে খেয়ে প্রাতকতঃসম্পন্ন করতে হবে । আমি যথাকপালভাতি , অশ্বিনীমূত্র , যােগাসনের মধ্যে ভুজঙ্গাসন , ধনুরাসন , পবনমুক্তাসন । । নিয়মিত অভ্যাস করতে হবে । খান ও খাবার — সজীর মধ্যে ওল একটি উপকারি তরকারি । এছাড়া মান , পায় । গাছ পাকা পেঁপে না হলেকাচা পেপেই ভাল । পটল , ডুমুর , চালকুমড়াে , মুলা , লাউ , উচ্ছে , ৭ মােচা , হেলো শাক , পরিমানমত গলা ভাত যা মলমুত্র ত্যাগের সময় অন্তরায় বা কোত দিতে হয় । এক্ষেত্রে ভুষিসহ আটার রুটি ও ভাল ফল দেয় । অতিরিক্তলমশলা বিহীন ৭ খাবার এই রােগের বিশেষ তথ্য । মাছ , মাংস বিশেষভাবে বর্জনীয় । তবে দৈনিক নিয়ম করে । দুপুরে ঘরে পাতা টক দই ( ৫০০ ) গ্রাম এর ঘোল বিশেষভাবে ফল দেয় ।
৬। মাসিক গন্ডগােলে - মা , বােনেলের এই দুরবস্থার জন্য প্রথম সতর্কতা রাত জেগে টিভি দেখা ও বিকৃত যৌন সুখ একান্তভাবে বর্জনীয় । মাসিকের পিরিয়ডে ভাড়ী জিনিস তুলবেন না । ঠাঙ যাতে না লাগে সেদিকটা বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে । | সকালে প্রতিদিনের প্রাকৃতের সর্মকরে প্রণাম যথা অনুলােমবিলােন , কপালভাতি ( যখন বক্তবক থাকবে ) যােগাসনের মধ্যে বিপরীতণী , মৎস্যাসন , ভু সন নিয়মিত অভ্যাসরতে হবে । | খাদ্য খাবার - - কাচকলা , ডুমুর , পটোল , মােচা , থাের , পুরানো চাল কুমরো , বেগুন , ঢেড়শ , বাঁধাকপি , উচ্ছে , হেলেঞ্চা , ফলের ক্ষেত্রে কমলা , আপেল , পা কাঠালি কলা , অঙ্কুরিত সবুজ মুগ ভাত , দুধ , বুটি মাছ ( ১০০ গ্রাম ) ভাত বা রুটি যখন খাবেন , পেট খালি রেখে খাবেন । প্রতি আসন বা প্রাণায়ামের সহিত পরিমিত আহার না করলে আসন । প্রাণায়ামের কোন সঠিক দেয় না ।
৭। মানসিক দুর্বলত - ধ্যান ওসৎসঙ্গ একমাত্র উপায় মানসিক দুর্বলতা কাটিয়ে মুক্ত জীবনে নিয়ে আসতে পারে । । খুব ভােরে ঘুম থেকে উঠে পরিমিত জল খেয়ে প্রত্বতঃসম্পন্ন করতে হবে । প্রাণায়াম ও যােগাসনে , অনুলােম বিললাম , কপালভাতি , মহাবধমুদ্রা , শাসন , বিপরীত করণীমুদ্রা , সংসশ , ধ্যান , নিয়মিত অভ্যাস বাহনীয় । । খানধবার - খাটি তাজা দুষ , টাটকা মাছ , দেশডিম , পাঠালিকলা ( গাছ পাকা ) বেশী মজা , কুমড়ো , বাঁধাকপি , পটোল ঘরের তৈরী আমসত্ত্ব আম , জাম , পেয়ারা , প্রভৃতি । পুষ্টিকর খাবার একান্ত প্রয়ােজন । " বিবেকানন্ম , রামকৃষ্ণদেব , অরবিন্দ রচনাবলী , মহ্যভাতে বিশেষ করে গীতা ও যােগী । সম্পর্কিত পদাবলীর নিয়মিত পড়তে হবে।
৮ । অম্বল — সালে সহজ বণ্ডিত্রিয়া , বমনঘেীতি প্রধান বলম্বন অলরােধক পাওয়ার জন্য । প্রণয়াম ব যোগাসন তথ্য অনুসােম বিলেম , নাড়ী শশধন ক্রিয়াশীতলী (দিলে বাজার ত ন থাকে) বনফেীতি , সহজ রতিক্রিয়া , যােগমুত্রা, সালসন , মৎস্য পূনমুক্তাসন প্রতিদিন অভ্যাস করতে হবে । 
খাদ্যাখাদ্য – * চা পেপে , পটল , ফিঙে , লাউ , কচি খুেন , ঘাের হি5ে , নটে , আপেল সুপক ক্ষা , খরমুজ , মিষ্টি কমলালেবু , নাড়কেল মুড়ি , নারকেলের দুধ , শশার রস , জলপ তেল বেশীকুরে খাবেন ভাত খাবেন অতিশি পরিমান মত কখনও পেট ভরে নেন । 
৯। পাকস্থলিতে ক্ষত — ভাল বিশণ দু এই শ্লেগের পক্ষে শ্রেষ্ঠ পথ্য । সালে প্রণয়াম বা যােগাসন যথা সহজ বঙিক্রি , অনুলােম বিলােম , শীতলী পশ্চিমেসন , পবনমুক্তাসন হলাসন , সর্বশাসন , ও মৎসসন । খাদ্যাখাদ্য — বিশুদ্ধ খাটি দুধ , শানু , শশা , জামরুল , মিষ্টি সরবতি লেবু , এক সপ্তাহ বাৰে গলিত ভাতের সঙ্গে দুধ , ডাবের জল , পা নরম কাঠালি মার দেশী মর্তমান হল । দ্বিতীয় সপ্তাহ বাদে অর্থাৎ তৃতীয় সপ্তাহ থেকে কচি লাউ , পেঁপে , আ কচি বেগুন খেতে দেওয়া যেতে পারে অদ্ৰা বুকে । 
১০। প্রাস্টেট বৃদ্ধি — খুব ভােরে ঘুম থেকে সহজ ত্রিক্রিয়া সেরে ততঃ সম্পন্ন করে প্রনাম যারেমে কপালভাতি , অশ্বিনীমূত্রা , গু আসনের মধ্যে সরাসন , জানুশমন অভ্যাসতে হবে । 
খানাখাদ্য — এই রােগে প্রথমতঃ অস্বাভাবিক পরিমাণ জল খেতে হবে । কমপক্ষে ৫ লিটার দৈনিক । এছাড়া চা পেয়াজ , পাকা , পাশ পেপে ( কার্বাইড দেওয়ান ) শসা বুটি ও গুর পরিমানেলা খেতে হবে । 
১১। বায়ু সকালে ঘুম থেকে উঠে ঠান্ডা বা ঈষৎ উষ্ণ গরম জলে (দু - প্লাস) একটি পাতিলেবু সহযােগে খেতে হবে । এবং এ , সম্পন্ন করে , আলম যথাক্রমে - কপাতি এবং আসনানি — পবনমুক্তাসন , সশসন , অগ্নিগর । খাদ্যখাদ্য – গাছ পাকা বেল ( ইড যুক্ত নয় ) না পেলে কাচা বেলই উপযুক্ত । গাছ “ গ পেপে নহলে কাচা পেপেই শ্রেঃ । পটল , কিভা , উচ্ছে , তুমর , শসা , পেয়ারা , কিসমিস , খাবেন । মিষ্টি কমলালেবু , চালকুমরা , মুগডাল , গলাভাত , ( বেশী ফোটানে ) । কখনই পেট ভর্তির 
১২। পাষহীনতা - খুব সকালে ঘুম থেকে উঠ বণ্ডিক্রিয়া করবেন । বস্তিক্রিয়ার পর কল্পলভাতি প্রণয়ন প্রক্রিয়া রতিনিয়ম মেনে অন্ততঃ ৫ - ১০ মিনিটলবেন । অন্যান্য খাবার - দুটি কাঠালিকলা দিয়ে ২টি হাতে গড়াবুটি খান । এ বেলায় সামান্য হলা টিফিন করুন । আর ভাত , মাছ , কুমড়ো , থানকুনি , পটল , কুমড়ো , ডাল ( মুসুবি ) , তরিতরকারী , আপেল , আঙুর , বেদানা খাবেন । সর্বাত্মাসন , মৎস্যাসন , ত্ৰমেণীয় দ্বাৰাও অকাণে পুরুষত্বহীনতা রােগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায় । 
১৩। দাঁতে বেশি রক্ত পড়া — খুবসলে উঠবক্রিয় শেষ মুন । তারপর কপলভতি সর্বাগসন , মৎস্যাসন আর এটকথা মনে রাখবেন মল মূত্র ত্যাগের সময় উপরের দিয়ে নীচের দাঁত চেপে রাখবেন ।
খাদ্যখাদ্য  — এ রোগের মহৌষধ হল পোৱা , পাতার রস গরম জলে ফুটিয়ে ঐ জলে চা5 লাল দাঁত মাজা আদ্যাপাদ্য - - গুষ্টিক অথট সহজ পাচ্য এমন টাটকা খাবার খাবেন । আর প্রতিবার dার পা দাঁত মাজবেন । ১৪। ব্রণ - - খুব সকালে উঠে সঙিক্রিয়া সারুন । তারপর সর্বাঙ্গসন , মৎসাসন বা নুহাশনের কোন একটি আসনকে বেছে নিন । এবং তাতেই অভ্যস্ত হােন । আদ্যাপাধ্য — সহপাট অথচ পুষ্টিকর খাবার খাবেন । হেলেঞ্চা শাক , পালংশাক , উচ্ছে , পট , ফিঙে , চিকা , ধাঁধাকপি , দুধ , কলা , আপেল , খান তবে মাংস ডিম , বা টক জাতীয় কান জিনিম খাবেন না । 
১৫ । সৰি বা ঠাণ্ডা গা — খুব সকালে উঠে প্রথমে গরম জলে বতিক্রিয়া সমাপন ম ) পা পালভাতি , অগ্নিসার , অনুলােম বিলােম প্রভৃতির যে কোন একটি প্রাণায়ামকে বেছে নিন । বিশেষ করে কপালভাতি ও অনুলােম বিলােম প্রাণায়াম । সহজপাচ্য টাটকা । খাবার খান । | খাদ্যাখাদ + + ( দেশি মুগীর মাংস , বুটি ( আটার ) খান । কমলালেবু খান । আদা দিয়ে দুধ ছাড়া বিকাল চা খান । তুলী পাতার রস , মধু সহ সেবনেও ভালাে পল পাবেন । ঠান্ডা কোন  খাবার খাবেন না । টাটকা খাবার খাবেন । 
১৬ । উমা খুব সকালে উঠেসহজবতিক্রিয়া সারুন । সশাসন , মৎস্যাসন , অগ্নিসার , পশ্চিন্তোান করুন । খাদ্যাখাগ্য – সহজ পাঢ্য অথচ পুষ্টিকর গরম মশলা ও জালহীন , শস্যবাটা , পেঁয়াজ মামুন মিশ্রিত না খাবেন না ।  হিদলো — খুব সকালে উঠে সহজবতিক্রিয়া করুন । শরীরের অবস্থা বুঝে অনুলােম , অধান হন । পাধ্যাখাদ্য - - পটল , কিওে , ধাকপি , গাজর , মুলাে , পালংশাক প্রভৃতির দ্বারা নিরামিষ আইনিই হদগের পক্ষে ভালাে । আর আপেল , আঙুর , পেপে , গােল খেতে পারেন । তবে এইসব কােণীর মহৌষধ হল ধ্যান ও সুনিত্রা । স্পন্ডিলাইটিস – এই রােগের প্রথম লক্ষণ হল গেমর , ঘাড় , ও হাঁটুতে ব্যথা ! | তা অসংযমী ইদ্রিা ব্যৱহাৰেই এ রােগটা হয় । | এই রোগ নিরাময়ের সহজ উপায় হল খুব সালে উঠে বঙিক্রিয়া সেরে অনুলোম য । বিল , ডফলাসন শুনলেন । যদি সব হাতলে পবনমুক্ত আসন , শলভাসন বা নুরাসন । বুন এবং শাখার স্থানে গরম সেক দিন । আর ঠান্ডা জলে গরম জল মিশিয়ে গান করুন । | না এই চাগে আক্রান্ত হলে অন্তত একমাস সহসকরা থেকে বিরত থাকুন । | আধ্যাখাপ্য - সহজ পাচ্য অথচ পুষ্টি খাবার খাবেন । গরম গরম খাবেন । সেক্ত কােন জিনিস খালেন । 
১৯ । অ্যালার্জিটিক রাইটিস ( সঞ্চি হচি ) খুব সশলে উঠতিক্রিয় করুন । তারপর পাঠ , যুভেনন প্রাণায়াম করুন । পাগ নিরাময়ের সহয উপায় হল ইন্দ্রিয় সংযম । সহবাস প্রণা থেকে বিরত কতে ।


No comments:

Post a Comment