ধ্যানাসন - whatsappstatus99

LATEST

Monday, September 9, 2019

ধ্যানাসন

ধ্যানাসন  
স্থির ভাবে সুখে বলার নাম আসন - ‘ স্থির সুখ অসন দীর্ঘক্ষণ বসে পড়াশুনা করা বা কোন কাজ কোন গভীরভাবে চিন্তার সময় ( গবেষনার ক্ষেত্রে ) মস্তিষ্কের উপরে খুব বেশী চাপ পড়ে - এমত অবস্থায় এমন ভলি কে তে উপবেশন করে উক্তকার্যাদি সুচারুরূপে কষ্টবিহীন ভাবে অতিবহিতকরযায় — এমন | ভঙ্গিকেই বলা হচ্ছে সুখেউপবেশন । বর্তমানে শারীর বিজ্ঞানীরা পরীক্ষার মাধ্যমে দেখিয়ে  দিয়েছেন । প্রথমেই ধ্যানাসন নিয়েই আলােচনা করা হইল ।
১। পদ্মাসন  প্ৰালী — এই আসনে পা দুটিকে এমনভাবে একটি আর একটির উপর স্থাপন করতে হবে যাতে মনে হবে সেটা একটা পদ্মের পাপড়ি । তাই একে বলে পরাসন । একে আর ৬ ভাগে ভাগ করা যায় । যেমন ক ) মুক্ত পরাসন , খ ) উখিত পরাসন , গ ) বন্ধ পরাসন , ঘ ) তেল । উর্ধপদ্মাসন , ও ) উধসংযুক্ত পদ্মসন , চ ) অংক পরাসন । স্বান
২। মুক্তপদ্মাসন  প্রাণী প্রথমে পা দুটিকে সামনে ছড়িয়ে সােজা হয়ে বসুন । তারপর ডান পইটির কাছ থেকে ভেঙেবাজনুর উপর এমন ভাবে খুন যাতে ডান পায়ের গােড়ালি তলপেটে বলিশমূলের কিছুটা উপরে স্পর্শ করে । এবার বাঁ পা হাঁটুর কাছ থেকে ভেঙে ডান পায়ের উপর এমনভাবে রাখুন যাতে বা পায়ের গােড়ালি ডানদিকের মূত্রাধারে স্পর্শ করে এবং মেরুদণ্ড সােজা থাকে । ৩০ সেকেন্ড এরুপ থেকে পা সােজা করে দিয়ে আবার পা বদল করে জুন । ১৫ সেকেন্ড সাসনে বিশ্রাম নিন । ' উপকারীতা মেরুদণ্ড দৃঢ় হয় । পায়ের বাত ভালাে হয় । কেরানী , লেখক প্রকৃতি যার হয়ে অনেকক্ষণ কাজ করেন তাদের এই আসনকরা ভালাে ।
৩। বীরাসন প্ৰালী প্রথমে সাধারণ আসনে বসুন । এবার বা পাহটুর কাছ থেকে ভেঙে ডান জানুর উপরে রাখুন এবং ডান পা হাঁটুর কাছে ভেঙে বাঁ পায়ের নীচে রাখুন । এবার সােজা হয়ে বসুন । প্রতিবার ২ বার করে ৪ বার করবেন । উপকারীতা - মেরুদণ্ড সােজা থাকে , যৌবন দীর্ঘদিন অটুট থাকে , চর্মরােগ ও পেটের রােগ সারে ।
সিধাসন । গালী - প্রথমে দুটি পা ছড়িয়ে চলুন । তারপর . . হটর কাছে এমনভাবে ভাজ করুন যাতে গােড়ালী মল , কোয়ের মাঝখানে থাকে । এবার জননেন্দ্রিয় ও অভ বাঁ হাতে তুলে ধরে বা গােড়ালির উপরে রাখুন । তারপর পাইটর কাছে ডেভে ডান পায়ে গোড়ালিলিশমূলের উপ রাখুন । তারপর মেরুদণ্ড সােজা রেখে হাত দুটি জানুর উপ রেখে বসুন । ঐভাবে ৩০ সেকেন্ড থেকে যতটা পারেন তম সময় অপেক্ষানুন । উপকারীত — এই আসনেবসে পুরালে মুনি ঋবিশাল ধ্যান করে সিদ্ধিলাভ করতেন । বর্তমানেও কোন বিষয়ে মনােসংযােগ রাখতে এই আসন । করা উচিত । এই আসনে কোমর ও হাঁটুর সন্ধিস্থল সবল হয় , মানসিক চলা দূর হয় । অজীর্ণ , উদরাময় , হৃদরােগ , হাঁপানি , ক্ষয়রােগ নিরাময় হয় । এই আসনে জিভের ডগা তালুতে ঠেকিয়ে রাখবেন ।
৫। ভদ্রাসন প্রশালী — প্রথমে সামনে পা দুটি ছড়িয়ে বসুন । এবার পদুটি গজকরেদুপায়ের গােড়ালি ও পায়ের তলা পরস্পর মুক্তকর কোলের দিকে নিয়ে আসুন । এবার হাঁটু - এর অংশ মাটিতে লাগাবার চেষ্টান । ১৫ থেকে ৩০ সেকেন্ড এই বলে থেকেঅার ছড়িয়ে ১০ - ১৫ সেকেন্ড বিশ্রামসুন । এইভাবে ৫ - ৭ বার এই ব্যায়ামটি করার চেষ্টা করবেন । সেই সময়টা একটু একটু করে বাড়াবেন । তবে ৫ / ৬ মিনিটের বেশি কখনই করবেন না । আর ঐ সময় স্বাস - ১ আসবেন স্বাভাবিক থাকে ।
উপকারীতা - ১ ) এই আসনটি যদি শিশুরা করে তবে তাদের শরীর গঠনের ক্রটি দর । হবে । শরীর সুস্থ থাকবে । দেখতেও সুন্দর হবে । ২ ) যে সব ব্যক্তির প্রস্রাবে অসুবিধা থাকে আছে তাদের প্রস্রাব ঠিকমত হবে । ৩ ) যাদের কোষ্ঠকাঠিণ্য , অজীর্ণ , বাত বেদনা ও সায়টিক রােগ সেগুলি থেকে মুক্ত থাকবেন । ৪ ) এতে পায়ের পেশিতে টান ধরার সম্ভাবনা দূর হয় । রক্তচলল ঠিককে । ৫ ) মেয়েদের যোনি মল , বত্তিপ্রদেশে বিশ রক্ত প্রবাহিত রােগ হয় তা এই ব্যায়ামে রােগমুক্ত হবেন । হয় তার শিথিল হয়ন । ৬ ) যে সব মেয়েদের মাসিকে নানারূপসমস্যা থাকে এবং শ্বেত প্রদর ৬ । গােমুখাসন প্রল - প্রথমে পাদুটি সামনে ছড়িয়ে সােজা হয়ে বসুন । তারপর ডান পাহাঁটুরকা থেকে বেপরে নিচ ডান অনুন । এবার ডান গােড়ালি দিয়ে ভান পাহাস্পর্শ করুন এবংবা পথটুকাই থেকে মুড়ে ডান পায়ের উপর দিয়ে নিয়ে গিয়ে বাঁ পায়ের গােড়া দিয়ে ডান পাহাশরুন । তারপর মেরুদণ্ড সােজা করে বসন ।পরে তুলে নুয়ের কাছ থেকে মুড়ে পিঠ নামান এবং গনহারকাছ থেকে দেবদিকেরিয়েবহরে আপুল পরুন । এইভাবে ৩০ মিনিট থেকে পরে পালে আবারও ঐআসনটি করুন । পেছনে ডান হাত দিয়ে থত ধরন কে ? হয় । পরেরতে করতে ঠিক প্রয়া সারে । উপর — এইঅনেমে কােনবত , অনিদ্র , সুত্র প্রদাহ নিরাময় হয় । যখন মনে ও দেহে , কামেচ্ছা প্রবল হয় তখন এই আসনে উত্তেজনা সামরিক প্রশমিত হয় ।
৭। সুখ গােমুখাসন । প্রণালী – গােমুখ আসনের মতই আসনে বসুন । দুটি হাত দিয়ে হাঁটুকে চেপে ধরে রাখুন । মেদ বল ছেলে বা মেয়ে এই আসনটি যদি রােজ ঘুমতে যাওয়ার আগে পাঁচ মিনিট করে তবে তাদের মেদ কমবে এবং ভালাে ঘুম ও আসবে । তবে কি ছেলে আর কি মেয়ে ১২ বছরের আগে এই আসন করা যাবে । তাহলে বিপরীত ফল হবে ।
৮। বজ্ৰাসন প্রণালী – এই আসনটি খাবার পর করলে ভালাে হয় । প্রথনে ইট ভেসেপায়ের পাতার অপর পিঠেনরমকদলের উপর রেখে গােড়ালির উপর পাছা রেখে সােজা হয়ে বসুন । এবং হত দুটি জানুর উপর রাখুন । এই অবস্থায় গুহ্যদ্বার যাতে পরে গোড়ালি দুটির নাকখানে থাকে সেদিকে দৃষ্টি দিতে হবে । এই আসন প্রথমে ৩০ সেকেন্ড করে ৫ সেকেন্ড বিশ্রাম নিয়ে চবেরবেন । উপায়ী — অজীর্ণ , গেটেবাত , সাইটিকার রােগীদের এই আসনে ভালাে উপকার হয় । হাটুর বেশী যন্ত্রনায় করবেন না।

No comments:

Post a Comment